holud ronger haldibari

হলুদরঙের হলদিবাড়ি – শাঁওলি দে

(ছিটমহল থেকে জয়ীসেতু) 

প্রকাশিত হতে চলেছে হলুদরঙের হলদিবাড়ি – শাঁওলি দে – 

হলুদরঙের হলদিবাড়ি – শাঁওলি দে : 

আমার জন্মস্থান নিয়ে লেখা বই “হলুদরঙের হলদিবাড়ি- ছিটমহল থেকে জয়ী সেতু”র পান্ডুলিপি প্রায় শেষের পথে, কিছু আলাপচারিতা ও ছবি-টবি তোলা বাকি আছে। খুব বেশি অলসতা না করলে কিছুদিনের মধ্যেই পৌঁছে যাবে প্রকাশকের ঘরে।

এবার প্রশ্ন হচ্ছে, হঠাৎ হলদিবাড়ির ইতিহাস কেন? কী এমন জায়গা যার আবার ইতিহাস লিখতে হবে? নিজের জন্মস্থান তো সবারই প্রিয়, তাই বলে বই!

উত্তর বা কৈফিয়ত হিসেবে জানাই হলদিবাড়ির ইতিহাস আজকের নয়। বহু প্রাচীন তিস্তার এই ছোট্ট জনপদ। ইংরেজ আমলেও এর গুরুত্ব ছিল। বইটি পড়লে বিস্তারিত জানা যাবে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নব নির্মিত জয়ী সেতু আর ছিটমহল। রয়েছে শতাব্দী প্রাচীন লাইব্রেরি, স্টেশন, হেরিটেজ হিসেবে এক হাসপাতাল।

বর্ডার ঘেঁষা এই জনপদ শুধু আঞ্চলিক কারণেই নয়, সাংস্কৃতিক কারণেও আলোচিত। নাচ-গানের পাশাপাশি নাটকে একসময় খ্যাতির শিখরে পৌঁছেছিল হলদিবাড়ি। জন্মসূত্রে, কর্মসূত্রে বহু মানুষ এখানে বাস করে আষ্টেপৃষ্টে নিজেকে জড়িয়ে ফেলেছেন। অনেক মানুষ যারা বাইরে চলে গিয়ে স্ব-স্ব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন তারাও তাদের বুকে এখনও আগলে রেখেছেন, আজও কখনও তাঁরা অলস অন্যমনে সেই সব পুরোনো স্মৃতি নেড়েচেড়ে দেখেন আর উজ্জ্বল হয়ে ওঠেন।

তাদের স্মৃতিকথায় আর বিভিন্ন নথিপত্র ঘেঁটে যা কিছু মণিমাণিক্য পেয়েছি, তা আমার কাছে অমূল্যই। তাই সেসব না জানাতে পারলে নিজেরই খারাপ লাগবে। এই বই বিশেষ করে তাদের জন্য যারা আমার মতোই হলদিবাড়িকে বুকে নিয়ে ঘোরে। তাই আর কিছুদিনের অপেক্ষা-

আসছে – হলুদরঙের হলদিবাড়ি – ছিটমহল থেকে জয়ীসেতু।
প্রকাশক- পরে জানাচ্ছি
প্রচ্ছদ- পরে আসবে

হলুদরঙের হলদিবাড়ি - শাঁওলি দে

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
Scroll to Top